About Me

Grow your Knowledge

  • Current affairs
  • General Knowledge
  • preparation of competitive exams

হায়দ্রাবাদের পশু চিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা রেড্ডি কে ধর্ষণ করে জ্বালিয়ে দেওয়ার অপরাধে ৪ অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করলো পুলিশ

হায়দ্রাবাদের পশু চিকিৎসক কে ধর্ষণ করে জ্বালিয়ে দেওয়ার অপরাধে  ৪ অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করলো পুলিশ :
priyanka-reddy-rape-and-murder-all-four-accused-killed-in-encounter

হায়দ্রাবাদের পশু চিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে ধর্ষণ  ও খুনের অভিযোগে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করল ।যেখানে নির্যাতিতার গায়ে পেট্রল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ।সেই একই স্থানে অপরাধীদের শাস্তি দেবার জন্য শুক্রবার ভোরে চার অভিযুক্তকে নিয়ে আশা হয় ,পুলিশ সূত্রে খবর ,এইসময় পালানোর চেষ্টা করে ওরা ,আর তখনই ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এনকাউন্টার শুরু হয়।পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় ৪ অভিযুক্তের ।
অভিযুক্তেরা হল -নবীন ,মহম্মদ আরিফ , শিবা ,ও চেন্নাকেশাভুলুর ।
বিকেল ৫:৩০ -এ স্কিনের ডাক্তার দেখাবে বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ।তারপর সে তার নিজের স্কুটার টি একটি টোল প্লাজাতে রেখে একটি ক্যাব এ করে ডাক্তার দেখতে যান ।জানা গেছে যে ওই মেয়েটি যখন ফিরে আসে এবং টোল প্লাজাতে রাখা স্কুটার টি নেয়  ,তখন দুজন জানায়  যে তার গাড়ির চাকাটি পাংচার হয়ে গেছে ।এবং এটিকে সারানোর জন্য তাকে দোকানে যেতে হবে ।মেয়েটি তখন কিছুটা হেটে একটি ফাঁকা জায়গায় wait করতে থাকে ।
নির্যাতিতার দিদি জানায় যে ,৯:২২-এ বোন ফোন করেছিল এবং জানায়  যে তার গাড়ির চাকা পাংচার হয়েছে এবং দুজন সারিয়ে দেবার কথা বললেও সে সারাইনি ।সে যেখানে দাঁড়িয়েছিল সেখানে কয়েকটি লরিও দাঁড়িয়েছিল বলে সে জানায় ,মেয়েটি বলে সে খুব ভয় পাচ্ছে ।পুলিশ সূত্রের খবর সেখানে বেশ কিছু ট্রাক পার্ক করা ছিল ।ওর দিদি ওকে বলে যে তুই গাড়ি রেখে চলে আয় ।এর কিছুক্ষন পর ৯:৪৪ এ ফোন করায়  সুইচ অফ বলে ।রাতে বাড়িতে না আসায় তার বাড়ির লোক মিসিং ডায়েরি করে ।পুলিশের ধারণা মেয়েটিকে ধর্ষণ করে খুন করে একটি বাগে ভোরে তাকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় ।
মৃতদেহটি কে ভোরবেলা এস স্যতম নামে একজন দুধের ভেন্ডর প্রথমে দেখতে পান ।তিনি তখন ই পুলিশ কে জানায় ।একে খুনের ঘটনা বলে সাইবেরাবাদের পুলিশ ডাইরি গুলি খতিয়ে দেখে ।তারপর বাড়ির লোককে সনাক্তকরণের জন্য খবর দেওয়া হয় ।মৃতার গলার স্কার্ফ এবং গলায় গনেশের লকেট দেখে পরিবারের লোক চিনতে পারে ।তবে তার মোবাইল এবং পার্টস এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি ।তাকে যেখানে পাওয়া গিয়েছে সেখান থেকে অর্থাৎ সেই টোল প্লাজা  থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে কথুড়ে গাড়ি চালিয়ে ফেলে আসার সময় গাড়ির নেমপ্লেট টি ফেলে আসা হয় ।
২০-২৪ বছর বয়সী এই চার লরিচালক কে ধর্ষণ করে জ্বালিয়ে দেবার অপরাধে পুলিশ ২৯ নভেম্বর গ্রেফতার করে ।গোটা দেশ তাদের শাস্তি দেবার কথা বলে ।এই মামলার শুনানির জন্য বুধবার তেলেঙ্গানা সরকার বলে যে খুব তাড়াতাড়ি এর ব্যবস্থা নিতে ।
২০১২ সালে এই একই ধর্ষণের পর নির্ভয়ার মা আশা দেবী জানান যে "অন্তত একটি মেয়ে তো তার সুবিচার পেলো "।তাঁর পরিবারের লোকজন নিশ্চই খুব সস্তি পেয়েছে ।এই ঘটনার পর অন্তত কিছু ধর্ষক তো ভয় পাবে ,এই ঘটনায় সমস্ত দেশবাসী খুশি ।এই প্রথম এত তাড়াতাড়ি বিচার হলো ।স্যালুট টু তেলেঙ্গানা পুলিশ ।



Post a comment

0 Comments